ঢাকা ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চ্যানেল এস-এর দুই বছর Logo লিয়ান্নার স্মরণে ভিন্যু-সুর-সেনে মানববন্ধন : ন্যায়বিচারের দাবিতে সোচ্চার SAF Logo বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিতে জনকণ্ঠ ভবনের সামনে অবস্থান ও বিক্ষোভ Logo জাতীয় বাজেটে প্রবাসীদের প্রত্যাশা…তাইজুল ফয়েজ Logo আপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি ওসমানীনগরে বনফুলকে জরিমানা ইউএনও’র দাবী Logo ওসমানীনগরে বাসি মিষ্টি বিক্রির অভিযোগে বনফুলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা Logo ওমানে নিখোঁজ কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের চারদিন পর মিলল গলিত লাশ Logo ওসমানীনগরে দুই বাসের সংঘর্ষে চালক ও হেলপার নিহত Logo জলবায়ু পরিবর্তন ও সবুজ বাংলা বিনির্মানে নকশী বাংলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে…আবুল হাসান এমপি Logo ওসমানীনগরে লন্ডন ফার্মেসী ও কনসালটেন্সি সেন্টার উদ্বোধন
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দরজায় মা কুকুর

মা কুকুর সন্তান হত্যার বিচার পেতে উপজেলায়

  • ডেস্ক নিউজ:
  • আপডেট সময় ০৪:০৩:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫১৪২ বার পড়া হয়েছে

পাবনার ঈশ্বরদীতে ৮টি কুকুরছানাকে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যার পর মা কুকুরটি বাচ্চাদের খোঁজে বিভিন্ন দিকে ছুটাছুটি করছে।মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল মা কুকুরটি।

ণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মা কুকুরটি উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় তলায় ইউএনওর কক্ষের সামনে ঘুরঘুর করছে। এটিকে সেখান থেকে তাড়ানোর চেষ্টা করেও সফল হয়নি কয়েকজন কর্মচারী। দুপুর ১২টার দিকে কুকুরটিকে আদর করে নিচে নামান কয়েকজন। বিকেল পর্যন্ত কুকুরটি উপজেলা পরিষদের আশপাশে ঘুরঘুর করছিল।

৮টি কুকুরছানাকে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে নিশি বেগম নামের এক নারীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, বাসার দরজার সামনে বারবার ডাকাডাকি করায় বিরক্ত হয়ে ৮টি ছানাকে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে হত্যা করেন তিনি।

নিশি বেগম ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়নের স্ত্রী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারীর স্বামীকে তার বরাদ্দকৃত সরকারি বাসা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতেই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি চিঠি দিয়ে ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়নকে তার কোয়াটার থেকে বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কুকুরছানা হত্যাকারী অভিযুক্ত নিশি বেগম বলেন, বাচ্চাগুলো এবং কুকুরটি আমার বাসার সিঁড়ির পাশে থাকত। বাচ্চাগুলো আমাদের খুবই ডিস্টার্ব করত, তাই আমি বাজারের ব্যাগে ভরে পুকুরের পাশে একটি গাছের পাশে রেখে আসি। এরপর হয়তো কোনোভাবে পুকুরের মধ্যে পড়ে যায়।

পাবনার ঈশ্বরদীতে ৮টি কুকুরছানাকে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যার পর মা কুকুরটি বাচ্চাদের খোঁজে বিভিন্ন দিকে ছুটাছুটি করছে।মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল মা কুকুরটি। উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় তলায় এ দৃশ্য দেখা গেছে।

গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মা কুকুরটি উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় তলায় ইউএনওর কক্ষের সামনে ঘুরঘুর করছে। এটিকে সেখান থেকে তাড়ানোর চেষ্টা করেও সফল হয়নি কয়েকজন কর্মচারী। দুপুর ১২টার দিকে কুকুরটিকে আদর করে নিচে নামান কয়েকজন। বিকেল পর্যন্ত কুকুরটি উপজেলা পরিষদের আশপাশে ঘুরঘুর করছিল।

৮টি কুকুরছানাকে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে নিশি বেগম নামের এক নারীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, বাসার দরজার সামনে বারবার ডাকাডাকি করায় বিরক্ত হয়ে ৮টি ছানাকে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে হত্যা করেন তিনি।

নিশি বেগম ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়নের স্ত্রী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারীর স্বামীকে তার বরাদ্দকৃত সরকারি বাসা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতেই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি চিঠি দিয়ে ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়নকে তার কোয়াটার থেকে বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কুকুরছানা হত্যাকারী অভিযুক্ত নিশি বেগম বলেন, বাচ্চাগুলো এবং কুকুরটি আমার বাসার সিঁড়ির পাশে থাকত। বাচ্চাগুলো আমাদের খুবই ডিস্টার্ব করত, তাই আমি বাজারের ব্যাগে ভরে পুকুরের পাশে একটি গাছের পাশে রেখে আসি। এরপর হয়তো কোনোভাবে পুকুরের মধ্যে পড়ে যায়। আমি নিজে বাচ্চাগুলোকে পুকুরে ফেলে দিইনি।

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন বলেন, এটা খুবই অমানবিক। মা কুকুর ইতোমধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাকে আমাদের লোকজন চিকিৎসা দিয়েছে। প্রাণী কল্যাণ আইন ২০১৯-এর অধীনে কুকুরছানা হত্যার অপরাধে মামলার একটি বিধান রয়েছে। কুকুরছানা হত্যাকারী নিশি বেগমের বিরুদ্ধে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। মামলা করারও সিদ্ধান্ত নিতে পারি।

ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এটি চরম অমানবিক ও নিষ্ঠুর কাজ। শাস্তিস্বরূপ ওই কর্মকর্তাকে এক দিনের মধ্যে সরকারি কোয়ার্টার ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মা কুকুরটির চিকিৎসার জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

চ্যানেল এস-এর দুই বছর

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দরজায় মা কুকুর

মা কুকুর সন্তান হত্যার বিচার পেতে উপজেলায়

আপডেট সময় ০৪:০৩:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

পাবনার ঈশ্বরদীতে ৮টি কুকুরছানাকে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যার পর মা কুকুরটি বাচ্চাদের খোঁজে বিভিন্ন দিকে ছুটাছুটি করছে।মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল মা কুকুরটি।

ণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মা কুকুরটি উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় তলায় ইউএনওর কক্ষের সামনে ঘুরঘুর করছে। এটিকে সেখান থেকে তাড়ানোর চেষ্টা করেও সফল হয়নি কয়েকজন কর্মচারী। দুপুর ১২টার দিকে কুকুরটিকে আদর করে নিচে নামান কয়েকজন। বিকেল পর্যন্ত কুকুরটি উপজেলা পরিষদের আশপাশে ঘুরঘুর করছিল।

৮টি কুকুরছানাকে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে নিশি বেগম নামের এক নারীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, বাসার দরজার সামনে বারবার ডাকাডাকি করায় বিরক্ত হয়ে ৮টি ছানাকে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে হত্যা করেন তিনি।

নিশি বেগম ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়নের স্ত্রী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারীর স্বামীকে তার বরাদ্দকৃত সরকারি বাসা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতেই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি চিঠি দিয়ে ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়নকে তার কোয়াটার থেকে বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কুকুরছানা হত্যাকারী অভিযুক্ত নিশি বেগম বলেন, বাচ্চাগুলো এবং কুকুরটি আমার বাসার সিঁড়ির পাশে থাকত। বাচ্চাগুলো আমাদের খুবই ডিস্টার্ব করত, তাই আমি বাজারের ব্যাগে ভরে পুকুরের পাশে একটি গাছের পাশে রেখে আসি। এরপর হয়তো কোনোভাবে পুকুরের মধ্যে পড়ে যায়।

পাবনার ঈশ্বরদীতে ৮টি কুকুরছানাকে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যার পর মা কুকুরটি বাচ্চাদের খোঁজে বিভিন্ন দিকে ছুটাছুটি করছে।মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল মা কুকুরটি। উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় তলায় এ দৃশ্য দেখা গেছে।

গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মা কুকুরটি উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় তলায় ইউএনওর কক্ষের সামনে ঘুরঘুর করছে। এটিকে সেখান থেকে তাড়ানোর চেষ্টা করেও সফল হয়নি কয়েকজন কর্মচারী। দুপুর ১২টার দিকে কুকুরটিকে আদর করে নিচে নামান কয়েকজন। বিকেল পর্যন্ত কুকুরটি উপজেলা পরিষদের আশপাশে ঘুরঘুর করছিল।

৮টি কুকুরছানাকে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে নিশি বেগম নামের এক নারীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, বাসার দরজার সামনে বারবার ডাকাডাকি করায় বিরক্ত হয়ে ৮টি ছানাকে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে হত্যা করেন তিনি।

নিশি বেগম ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়নের স্ত্রী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারীর স্বামীকে তার বরাদ্দকৃত সরকারি বাসা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতেই উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি চিঠি দিয়ে ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়নকে তার কোয়াটার থেকে বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কুকুরছানা হত্যাকারী অভিযুক্ত নিশি বেগম বলেন, বাচ্চাগুলো এবং কুকুরটি আমার বাসার সিঁড়ির পাশে থাকত। বাচ্চাগুলো আমাদের খুবই ডিস্টার্ব করত, তাই আমি বাজারের ব্যাগে ভরে পুকুরের পাশে একটি গাছের পাশে রেখে আসি। এরপর হয়তো কোনোভাবে পুকুরের মধ্যে পড়ে যায়। আমি নিজে বাচ্চাগুলোকে পুকুরে ফেলে দিইনি।

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন বলেন, এটা খুবই অমানবিক। মা কুকুর ইতোমধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাকে আমাদের লোকজন চিকিৎসা দিয়েছে। প্রাণী কল্যাণ আইন ২০১৯-এর অধীনে কুকুরছানা হত্যার অপরাধে মামলার একটি বিধান রয়েছে। কুকুরছানা হত্যাকারী নিশি বেগমের বিরুদ্ধে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। মামলা করারও সিদ্ধান্ত নিতে পারি।

ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এটি চরম অমানবিক ও নিষ্ঠুর কাজ। শাস্তিস্বরূপ ওই কর্মকর্তাকে এক দিনের মধ্যে সরকারি কোয়ার্টার ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মা কুকুরটির চিকিৎসার জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।