ঢাকা ০১:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওসমানীনগরে বাসি মিষ্টি বিক্রির অভিযোগে বনফুলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

  • ডেস্ক নিউজ:
  • আপডেট সময় ০১:০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ৫০৮৯ বার পড়া হয়েছে

ওসমানীনগর(সিলেট) প্রতিনিধি::

 সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর বাজারে অবস্থিত বনফুল শাখায় বাসি মিষ্টি বিক্রির অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত শুক্রবার বিকেলে ওসমানীনগর  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুনমুন নাহার আশা  প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত বনফুলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

জানা যায়, বাসি মিষ্টি বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও দাখিলকৃত মেমো পর্যালোচনার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে সেখানে বাসি মিষ্টি বিক্রি করা হচ্ছিল।

অভিযানকালে সংশ্লিষ্ট এক কর্মচারী স্বীকার করেন যে মিষ্টিগুলো অনেক আগের এবং সেখানে পুরাতন ও নতুন মিষ্টি মিশ্রিত অবস্থায় রাখা হয়েছিল। তবে অপরাধ স্বীকার করার পর ওই কর্মচারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান এবং তার মোবাইল ফোনও বন্ধ রাখেন।

মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ অনুযায়ী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে কোনো অপরাধ সংঘটিত বা উদঘাটিত হলে তা দণ্ডযোগ্য। এ কারণে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হলে কর্মচারীর অনুপস্থিতিতে বনফুলের ম্যানেজার তাকে খুঁজে এনে উপস্থিত করেন। পরে পলায়নের অভিযোগসহ সংশ্লিষ্ট অপরাধের দায়ে প্রতিষ্ঠান ও ওই কর্মচারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়। জরিমানার অর্থ পরদিনই সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, গতকাল বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ডাকার পর ‘৫০ হাজার টাকা জরিমানা’ শিরোনামে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

তবে আপা ডাকায় না বাসি মিষ্টি থাকায় জরিমানা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বনফুল অ্যান্ড কোম্পানির তাজপুর শাখার ম্যানেজার সুহেল বড়ুয়া।

তিনিবলেন, বাসি মিষ্টি রাখার দায়ে জরিমানা করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনমুন নাহার আশা বলেন, বাসি মিষ্টি বিক্রির অভিযোগে জরিমানা করা হয়েছে। কোম্পানি তার কর্মচারীর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেবে, তা মোবাইল কোর্টে বিচার্য নয়; এটি সম্পূর্ণভাবে কোম্পানির নিজস্ব বিষয়। কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকার তথা মোবাইল কোর্টকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে কেউ কেউ মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করেছেন।

ট্যাগস :

Dalton Zahir Appointed as Global Ambassador for Skål International Alto Valle in Argentina

ওসমানীনগরে বাসি মিষ্টি বিক্রির অভিযোগে বনফুলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেট সময় ০১:০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

ওসমানীনগর(সিলেট) প্রতিনিধি::

 সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর বাজারে অবস্থিত বনফুল শাখায় বাসি মিষ্টি বিক্রির অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত শুক্রবার বিকেলে ওসমানীনগর  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুনমুন নাহার আশা  প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত বনফুলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

জানা যায়, বাসি মিষ্টি বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও দাখিলকৃত মেমো পর্যালোচনার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে সেখানে বাসি মিষ্টি বিক্রি করা হচ্ছিল।

অভিযানকালে সংশ্লিষ্ট এক কর্মচারী স্বীকার করেন যে মিষ্টিগুলো অনেক আগের এবং সেখানে পুরাতন ও নতুন মিষ্টি মিশ্রিত অবস্থায় রাখা হয়েছিল। তবে অপরাধ স্বীকার করার পর ওই কর্মচারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান এবং তার মোবাইল ফোনও বন্ধ রাখেন।

মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ অনুযায়ী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে কোনো অপরাধ সংঘটিত বা উদঘাটিত হলে তা দণ্ডযোগ্য। এ কারণে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হলে কর্মচারীর অনুপস্থিতিতে বনফুলের ম্যানেজার তাকে খুঁজে এনে উপস্থিত করেন। পরে পলায়নের অভিযোগসহ সংশ্লিষ্ট অপরাধের দায়ে প্রতিষ্ঠান ও ওই কর্মচারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়। জরিমানার অর্থ পরদিনই সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, গতকাল বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ডাকার পর ‘৫০ হাজার টাকা জরিমানা’ শিরোনামে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

তবে আপা ডাকায় না বাসি মিষ্টি থাকায় জরিমানা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বনফুল অ্যান্ড কোম্পানির তাজপুর শাখার ম্যানেজার সুহেল বড়ুয়া।

তিনিবলেন, বাসি মিষ্টি রাখার দায়ে জরিমানা করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনমুন নাহার আশা বলেন, বাসি মিষ্টি বিক্রির অভিযোগে জরিমানা করা হয়েছে। কোম্পানি তার কর্মচারীর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেবে, তা মোবাইল কোর্টে বিচার্য নয়; এটি সম্পূর্ণভাবে কোম্পানির নিজস্ব বিষয়। কিন্তু হলুদ সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকার তথা মোবাইল কোর্টকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে কেউ কেউ মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করেছেন।