ঢাকা ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চ্যানেল এস-এর দুই বছর Logo লিয়ান্নার স্মরণে ভিন্যু-সুর-সেনে মানববন্ধন : ন্যায়বিচারের দাবিতে সোচ্চার SAF Logo বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিতে জনকণ্ঠ ভবনের সামনে অবস্থান ও বিক্ষোভ Logo জাতীয় বাজেটে প্রবাসীদের প্রত্যাশা…তাইজুল ফয়েজ Logo আপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি ওসমানীনগরে বনফুলকে জরিমানা ইউএনও’র দাবী Logo ওসমানীনগরে বাসি মিষ্টি বিক্রির অভিযোগে বনফুলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা Logo ওমানে নিখোঁজ কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের চারদিন পর মিলল গলিত লাশ Logo ওসমানীনগরে দুই বাসের সংঘর্ষে চালক ও হেলপার নিহত Logo জলবায়ু পরিবর্তন ও সবুজ বাংলা বিনির্মানে নকশী বাংলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে…আবুল হাসান এমপি Logo ওসমানীনগরে লন্ডন ফার্মেসী ও কনসালটেন্সি সেন্টার উদ্বোধন
আওয়ামী লীগ পূর্ণ গঠনে তিনজনের নাম আলোচনায়

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে তিনজনের নাম শোনা যাচ্ছে

  • ডেস্ক নিউজ:
  • আপডেট সময় ০৬:০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫১৬৪ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয়—দলটির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব কারা দেবেন এবং দলটি কীভাবে টিকে থাকবে। আওয়ামী লীগ সমর্থকদের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সুধীসমাজের মধ্যে জোর আলোচনা চলছে—এই রায় দলটির জন্য কী অর্থ বহন করছে এবং ভবিষ্যতে দলটি কোন পথে হাঁটবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড দেশের বিদ্যমান আইন মেনেই হয়েছে। যদিও তিনি ভারতে পলাতক থাকায় রায় কার্যকর হওয়া সহজ হবে না, তবু তার নেতৃত্বে দলটির রাজনীতি আগের মতো চলার সম্ভাবনা কমে গেছে। অনেকে এটি ‘রাজনৈতিক মৃত্যু’ বলে উল্লেখ করছেন। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ (আইসিজি) এক বিবৃতিতে বলেছে, শেখ হাসিনার বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে আসার সম্ভাবনা এখন খুব কম। তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরা আরও কঠিন বলেও মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দলকে টিকিয়ে রাখতে হলে আওয়ামী লীগকে অতীত ভুল স্বীকার করে নতুন ও পরিষ্কার ভাবমূর্তির নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে। ‘রি-কনসিলিয়েশন’ বা রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমেই দল পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

অক্টোবর মাসে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা নিজেও বলেছিলেন, কোনো ব্যক্তি বা পরিবার রাষ্ট্রের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে না। সাংবিধানিক শাসন ও স্থিতিশীলতাই প্রধান বিষয়।

ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে তিন নাম সবচেয়ে আলোচনায়

সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের আলোচনায় প্রথমেই আসছে সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর নাম। চব্বিশের ৫ আগস্টের পর তাকে প্রকাশ্যে কোথাও দেখা না গেলেও তিনি সরকারের ‘নজরদারির’ মধ্যেই রয়েছেন বলে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে খবর এসেছে। বিদ্যমান সংবিধান মতে, পরবর্তী সরকারের জন্য নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াতে তাকে দরকার পড়তে পারে।

শিরীন শারমিন চৌধুরীর পরে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক হিসাবে আলোচনায় আছে ‘ক্লিন ইমেজ’র অধিকারী সাবের হোসেন চৌধুরী এবং আলোচিত নেত্রী নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর নাম। আইভী এখনো জেলে আছেন। কয়েকটি মামলায় সম্প্রতি তার জামিন হলেও নতুন করে আরও চার হত্যাসহ ৫ মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। 

অন্যদিকে সাবের হোসেন চৌধুরী গ্রেফতার হলেও পরে জামিন পেয়েছেন। যদিও তিনি রাজনীতিতে এখন নিষ্ক্রিয়। রাজনৈতিক কোনো অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না। কোথাও কোনো মন্তব্যও করছেন না। তবে সম্প্রতি তার বাসায় ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত তিনটি দেশের রাষ্ট্রদূতদের বৈঠক নিয়ে বেশ আলোচনা হয় রাজনৈতিক মহলে।

চ্যানেল এস-এর দুই বছর

আওয়ামী লীগ পূর্ণ গঠনে তিনজনের নাম আলোচনায়

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে তিনজনের নাম শোনা যাচ্ছে

আপডেট সময় ০৬:০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয়—দলটির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব কারা দেবেন এবং দলটি কীভাবে টিকে থাকবে। আওয়ামী লীগ সমর্থকদের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সুধীসমাজের মধ্যে জোর আলোচনা চলছে—এই রায় দলটির জন্য কী অর্থ বহন করছে এবং ভবিষ্যতে দলটি কোন পথে হাঁটবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড দেশের বিদ্যমান আইন মেনেই হয়েছে। যদিও তিনি ভারতে পলাতক থাকায় রায় কার্যকর হওয়া সহজ হবে না, তবু তার নেতৃত্বে দলটির রাজনীতি আগের মতো চলার সম্ভাবনা কমে গেছে। অনেকে এটি ‘রাজনৈতিক মৃত্যু’ বলে উল্লেখ করছেন। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ (আইসিজি) এক বিবৃতিতে বলেছে, শেখ হাসিনার বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে আসার সম্ভাবনা এখন খুব কম। তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরা আরও কঠিন বলেও মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দলকে টিকিয়ে রাখতে হলে আওয়ামী লীগকে অতীত ভুল স্বীকার করে নতুন ও পরিষ্কার ভাবমূর্তির নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে। ‘রি-কনসিলিয়েশন’ বা রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমেই দল পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

অক্টোবর মাসে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা নিজেও বলেছিলেন, কোনো ব্যক্তি বা পরিবার রাষ্ট্রের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে না। সাংবিধানিক শাসন ও স্থিতিশীলতাই প্রধান বিষয়।

ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে তিন নাম সবচেয়ে আলোচনায়

সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের আলোচনায় প্রথমেই আসছে সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর নাম। চব্বিশের ৫ আগস্টের পর তাকে প্রকাশ্যে কোথাও দেখা না গেলেও তিনি সরকারের ‘নজরদারির’ মধ্যেই রয়েছেন বলে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে খবর এসেছে। বিদ্যমান সংবিধান মতে, পরবর্তী সরকারের জন্য নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াতে তাকে দরকার পড়তে পারে।

শিরীন শারমিন চৌধুরীর পরে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক হিসাবে আলোচনায় আছে ‘ক্লিন ইমেজ’র অধিকারী সাবের হোসেন চৌধুরী এবং আলোচিত নেত্রী নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর নাম। আইভী এখনো জেলে আছেন। কয়েকটি মামলায় সম্প্রতি তার জামিন হলেও নতুন করে আরও চার হত্যাসহ ৫ মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। 

অন্যদিকে সাবের হোসেন চৌধুরী গ্রেফতার হলেও পরে জামিন পেয়েছেন। যদিও তিনি রাজনীতিতে এখন নিষ্ক্রিয়। রাজনৈতিক কোনো অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না। কোথাও কোনো মন্তব্যও করছেন না। তবে সম্প্রতি তার বাসায় ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত তিনটি দেশের রাষ্ট্রদূতদের বৈঠক নিয়ে বেশ আলোচনা হয় রাজনৈতিক মহলে।