শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে ৮ ই ডিসেম্বর সোমবার, স্থানীয় সময় বিকাল ৩টায় পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে অনুষ্ঠিত হয় শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদ সভা। এই সভাটি একটি অভিজাত হলরুমে আয়োজিত হয়, সভাপতিত্ব করেন পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহিরুল আলম জসিম এবং পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক দিলোয়ার হোসাইন।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, (টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে) আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী ড. মোহাম্মদ ইউনুস গ্রামীণফোনের মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার করছে। সে দেশপ্রেমিক নয়, এত টাকা বিদেশে পাচার করে কিন্তু কেন? তার এত টাকা খাবে কে?” তিনি আরো বলেন, এই সরকার তার ছোট বোন শেখ রেহেনা সহ পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচারের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। একতরফা নির্বাচন আয়োজন করতে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। আওয়ামী লীগকে ব্যাতিরেখে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। বাংলার মানুষ প্রতিহত করবে।
তার বক্তব্যে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে দৃঢ় থাকার অনুরোধ করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি এম নজরুল ইসলাম, পর্তুগাল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রফিক উল্লাহ মুনসি, সহ-সভাপতি মিজান মোল্লা, সহ-সভাপতি মহসিন ভূইয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শওকত ওসমান।
এছাড়া প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন পর্তুগাল আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান ভুইঁয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল ফকির, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল রেজা, আইন বিষয়ক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন জুয়েল, দপ্তর সম্পাদক জাকির হোসাইন, আওয়ামী লীগ নেতা সেবুল আহমদ, হারুন অর রশীদ, রুহেল আহমদ, এনামুল হক এনাম, জাহিদ দেওয়ান, তামভীর আলম জনি, জাবেদ মাহমুদ , কাওছার আহমদ, মামুন মাহথির, ছাত্রলীগ নেতা নোমান আহমদ সহ বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী।
এ সভাটি ছিল একটি সফল প্রতিবাদ সভা, যেখানে সকল নেতৃবৃন্দ শেখ হাসিনার প্রতি সহানুভূতি এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানান।
নিজস্ব সংবাদ : 















