৩৬ ডিগ্রী তাপমাত্রা থাকার কারণে ফরাসি সরকার রেড এলার্ট জারী করেছে। প্রয়োজন ছাড়া যেন কোন নাগরিক বাহিরে অবস্থান না করেন সেই নিষেধাকা উপেক্ষা করে পাসপোর্ট সেবার নামে হট্টগোল।
বাংলাদেশ দূতাবাস ফ্রান্সের কর্মকর্তাদের দুর্নীতি নিয়ে বেশ কয়েকদিন থেকে বাংলাদেশ মিডিয়া ও কমিউনিটির মধ্যে পাসপোর্ট বাণিজ্য বেশ আলোচনা হচ্ছে এমতাবস্থায় বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা তাদের দুর্নীতি ডাকতে বেশ কিছু ছলছাতোরির শরণাপন্ন হয়েছে।
মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে রাজনীতিবিদদের ব্যবহার করে সংবাদ সম্মেলন। আওয়ামী লীগ সরকারের নিয়োগ কৃত কর্মকর্তারা, অন্তবর্তী কালীন সরকারের ডাস্টবিন শফিক এর দূসররা ফ্রান্স নাগরিক ব্যানারে বট বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে দূতাবাসের কর্মকর্তারা নানান বিষয়ে অনিয়ম করে বর্তমান বিএনপি সরকারের আমলেও বিএনপি কয়েকজন নেতাকে ম্যানেজ করেন ও নেতা কর্মীদের আইওয়াশ করে দেশের তিনটি সরকার পরিবর্তন হলেও ফ্রান্স বাংলাদেশ দূতাবাস এর কর্মকর্তাদের কোন পরিবর্তন নাই। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে ফার্স্ট সেক্রেটারি কাসিম বিন ওয়ালি নিজেকে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা দাবি করতেন যাহা ওপেন সেক্রেট। অন্তবর্তী সরকারের সময় তিনি বলেন তাহার পিতা জামাতে ইসলাম করার কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চাকরি হারিয়েছেন তিনি একজন জামাতের কর্মী। বিএনপি সরকারের আমলে এসে তিনি বলতেছেন তিনি বিএনপি করতেন। একি অঙ্গে বহুরূপী মানুষ এর আগে ফ্রান্স প্রবাসীরা দেখে নাই।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দূতাবাসে বসে বসে কাশিম বিন ওয়ালিদ লিস্ট করতেন লন্ডনে কেবা কারা যাচ্ছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করছেন এই লিস্ট করে তিনি বাংলাদেশ সরকার তথা আওয়ামী সরকারকে অবগত করতেন তার মতো দালাল ইতিপূর্বে কেউ দেখে নাই। বর্তমান সরকারের এসে বিএনপির দালাল সেজেছে সেও বিএনপিকে ধ্বংস করে ছাড়বে। সাবেক আওয়ামীলীগ নেতা বর্তমান সাংবাদিক ডিবিসি নিউজ এর সংবাদ প্রচার করে দূতাবাসের পক্ষ থেকে বুধবারে পাসপোর্ট সেবা প্রদান করা হবে।
দূতাবাসের সেবার নামে এই সংবাদ প্রচারের পর আজ বুধবার ফরাসি সরকারের রেড এলার্ট উপেক্ষা করে ফ্রান্স প্রবাসী বাংলাদেশীরা বাংলাদেশ দূতাবাসে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করেন দীর্ঘ ধাক্কা ধাক্কির কারণে একটি বাচ্চার মাথা ফেটে গেছে বলে জানা যায়।
ফরাসি সরকারের রেড এলার্ট থাকার পরেও এই ধরনের কর্মকান্ডের কারণে বাংলাদেশ সরকারের বড় অঙ্কের জরিমানা গুনতে হতে পারে।
এ ব্যাপারে সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে।
‘ওয়াক-ইন ওয়ে’ নামে দ্রুত পাসপোর্ট সেবা কার্যক্রম চালুর দিন দূতাবাসের সামনে দীর্ঘ সময় মানুষকে অপেক্ষা করতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সকাল ১০টা থেকে সেবা দেওয়ার কথা থাকলেও দূতাবাসের প্রধান ফটক দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখা হয়। ফলে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে শিশু, নারী, বয়স্ক ব্যক্তি ও অসুস্থদের নিয়ে আসা অনেক মানুষকে বাইরে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।
স্থানীয় আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে ওই দিন প্যারিসে তাপমাত্রা দুপুরের দিকে প্রায় ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায় বলে জানা গেছে। এমন পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে অপেক্ষা করতে হওয়ায় সেবাপ্রত্যাশীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে।
একজন প্রবাসী জানান, তিনি তাঁর সন্তানের পাসপোর্টের জন্য দূতাবাসের নিয়মিত প্রক্রিয়ায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে সন্তানকে সঙ্গে করে সেখানে উপস্থিত হন।
কিন্তু অ্যাপয়েন্টমেন্ট থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ লাইনের কারণে তিনি ও অন্য অনেক সেবাপ্রত্যাশী সময়মতো ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি বলে অভিযোগ করেন।
সেবাপ্রত্যাশীদের অভিযোগ, দূতাবাসের গেট বন্ধ রেখে ভেতর থেকে সীমিতসংখ্যক ব্যক্তিকে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হচ্ছিল। এ সময় কারা প্রবেশের অনুমতি পাচ্ছেন, সেই প্রক্রিয়া নিয়ে স্পষ্টতা না থাকায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
একপর্যায়ে দীর্ঘ লাইন আশপাশের ভবনের সামনের দিক পর্যন্ত চলে যায়। প্রচণ্ড গরম ও দীর্ঘ অপেক্ষায় অনেকেই অসুস্থ বোধ করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। শিশু ও নারীদের নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন উপস্থিত ব্যক্তিরা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার একপর্যায়ে লাইনে থাকা মানুষের সঙ্গে নিরাপত্তা ও প্রবেশাধিকার নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হয় এবং বড় ধরনের সংঘাত এড়ানো সম্ভব হয়।
‘অ্যাপয়েন্টমেন্ট থাকা সত্ত্বেও কেন বাইরে?’
ঘটনার পর সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠেছে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থাপনা নিয়ে। প্রবাসীদের একাংশের দাবি, যদি নির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে আসা ব্যক্তিদেরও দীর্ঘ সময় বাইরে অপেক্ষা করতে হয়, তাহলে নতুন ‘ওয়াক-ইন’ ব্যবস্থার উদ্দেশ্য কি পরিষ্কার করা দরকার।
তাদের আরও অভিযোগ, দূতাবাসের সেবাপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব থাকলে সেখানে পরিচিতি বা প্রভাবের ভিত্তিতে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরেই ফ্রান্সে বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে পাসপোর্ট অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে কথিত দালালচক্রের তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়ার জটিলতাকে কেন্দ্র করে একটি মধ্যস্বত্বভোগী চক্র সক্রিয় রয়েছে।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কমিউনিটির বিভিন্ন মহলে দূতাবাসের কার্যক্রমে রাজনৈতিক প্রভাব এবং বিভিন্ন পক্ষের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। কয়েকজন বিএনপি নেতার নাম উল্লেখ করে বিভিন্ন অভিযোগ সামনে এসেছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ আমলের কিছু কর্মকর্তা ও রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়েও নানা দাবি করা হচ্ছে।
প্রবাসীদের মতে, বুধবারের ঘটনা কেবল একটি দিনের বিশৃঙ্খলা নয়; বরং দীর্ঘদিনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট সংকট, জনবল ঘাটতি, ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং সেবাপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাবের সম্মিলিত প্রতিফলন।
তাদের দাবি, শুধু নতুন কোনো অস্থায়ী পদ্ধতি চালু করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। দূতাবাসে পর্যাপ্ত জনবল নিশ্চিত করা, অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও ডিজিটাল করা, কথিত দালালচক্রের বিরুদ্ধে তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া এবং জরুরি পরিস্থিতিতে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য পৃথক সেবা ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন।
তাদের বক্তব্য একটাই দূতাবাসে সেবা নিতে এসে প্রবাসীদের যেন আর রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে না হয়, হয়রানির শিকার হতে না হয় এবং কোনো ব্যক্তির পরিচয় বা প্রভাবের ওপর নির্ভর করতে না হয়।
বাংলাদেশ দূতাবাসের ফোন করে কোন কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি।
চলমান…..
ডেস্ক নিউজ: 












