ঢাকা ১১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আমেরিকাকে প্রতিহত করতে ইউরোপের করণীয় নির্ধারণ

গ্রিনল্যান্ড ট্রাম্পের ‘দখল’ ঠেকাতে একজোট ইউরোপের ৬ দেশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৩২:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫০৩৮ বার পড়া হয়েছে

ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই নিজের চরম আগ্রাসী রূপ জাহির করতে শুরু করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। লাতিন আমেরিকার তিন দেশ— মেক্সিকো, কলম্বিয়া ও কিউবার সরকারকে ফেলে দেওয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানেও ভয়ংকর হামলার হুমকি শোনা গেছে তার কণ্ঠে। শুধু তাই নয়; লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে তার নজর ইউরোপেও।  বেশ জোর গলায় ডেনমার্কের অধীনে থাকা গ্রিনল্যান্ড দখলের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। ২১ লাখ ৬৬ হাজার বর্গকিলোমিটার বিস্তৃত প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর বিশ্বের বৃহত্তম এ দ্বীপের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ডেনমার্ককে প্রচ্ছন্ন হুমকিও দিয়ে রেখেছেন তিনি।   

এমন পরিস্থিতিতে গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব এবং ভূ-ভাগের অখণ্ডতা রক্ষায় একজোট হয়েছে ইউরোপের ক্ষমতাধর ৬ টি দেশ। দেশগুলো হচ্ছে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, স্পেন এবং যুক্তরাজ্য। 

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এসব দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের একটি যৌথ বিবৃতিতে গ্রিনল্যান্ডের অধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

ইউরোপীয় এ নেতারা গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত একটি যৌথ বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলেছেন, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডের অখণ্ডতা এবং সীমানার প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ শুধু ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের জনগণের সিদ্ধান্তের বিষয়, বাইরের কোনো দেশের নয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ইউরোপের জন্য একটি মূল অগ্রাধিকার এবং অনেক ইউরোপীয় দেশ এই অঞ্চলকে নিরাপদ রাখার জন্য উপস্থিতি, কার্যক্রম ও বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। আর্কটিকে কিছু করতে হলে এটি ন্যাটো সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে, জাতিসংঘের সাংবিধানিক নীতিসমূহ মেনে করতে হবে যার মধ্যে রয়েছে সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডের অখণ্ডতা এবং সীমানার অবিনাশ্যতা। এগুলো সার্বজনীন নীতি এবং আমরা এগুলো রক্ষা করতে পিছপা হব না।

এতে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই প্রচেষ্টায় একটি প্রয়োজনীয় অংশীদার হিসেবে রয়েছে। ন্যাটো সদস্য হিসেবে এবং ১৯৫১ সালে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে ডেনমার্ক-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিজ্ঞাবদ্ধ রয়েছে, যা লঙ্ঘন করা অপরাধের সামিল হবে।

এছাড়া, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে এবং সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেছেন, নর্ডিক দেশ হিসেবে তারা আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রিয় মাতৃভূমিতে আমরা যেন হানাহানিতে লিপ্ত না হই-আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী

আমেরিকাকে প্রতিহত করতে ইউরোপের করণীয় নির্ধারণ

গ্রিনল্যান্ড ট্রাম্পের ‘দখল’ ঠেকাতে একজোট ইউরোপের ৬ দেশ

আপডেট সময় ০১:৩২:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই নিজের চরম আগ্রাসী রূপ জাহির করতে শুরু করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। লাতিন আমেরিকার তিন দেশ— মেক্সিকো, কলম্বিয়া ও কিউবার সরকারকে ফেলে দেওয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানেও ভয়ংকর হামলার হুমকি শোনা গেছে তার কণ্ঠে। শুধু তাই নয়; লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে তার নজর ইউরোপেও।  বেশ জোর গলায় ডেনমার্কের অধীনে থাকা গ্রিনল্যান্ড দখলের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। ২১ লাখ ৬৬ হাজার বর্গকিলোমিটার বিস্তৃত প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর বিশ্বের বৃহত্তম এ দ্বীপের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ডেনমার্ককে প্রচ্ছন্ন হুমকিও দিয়ে রেখেছেন তিনি।   

এমন পরিস্থিতিতে গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব এবং ভূ-ভাগের অখণ্ডতা রক্ষায় একজোট হয়েছে ইউরোপের ক্ষমতাধর ৬ টি দেশ। দেশগুলো হচ্ছে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, স্পেন এবং যুক্তরাজ্য। 

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এসব দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের একটি যৌথ বিবৃতিতে গ্রিনল্যান্ডের অধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

ইউরোপীয় এ নেতারা গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত একটি যৌথ বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলেছেন, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডের অখণ্ডতা এবং সীমানার প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ শুধু ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের জনগণের সিদ্ধান্তের বিষয়, বাইরের কোনো দেশের নয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ইউরোপের জন্য একটি মূল অগ্রাধিকার এবং অনেক ইউরোপীয় দেশ এই অঞ্চলকে নিরাপদ রাখার জন্য উপস্থিতি, কার্যক্রম ও বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। আর্কটিকে কিছু করতে হলে এটি ন্যাটো সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে, জাতিসংঘের সাংবিধানিক নীতিসমূহ মেনে করতে হবে যার মধ্যে রয়েছে সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডের অখণ্ডতা এবং সীমানার অবিনাশ্যতা। এগুলো সার্বজনীন নীতি এবং আমরা এগুলো রক্ষা করতে পিছপা হব না।

এতে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই প্রচেষ্টায় একটি প্রয়োজনীয় অংশীদার হিসেবে রয়েছে। ন্যাটো সদস্য হিসেবে এবং ১৯৫১ সালে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে ডেনমার্ক-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিজ্ঞাবদ্ধ রয়েছে, যা লঙ্ঘন করা অপরাধের সামিল হবে।

এছাড়া, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে এবং সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেছেন, নর্ডিক দেশ হিসেবে তারা আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।