ঢাকা ১১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্যারিসে মুক্তিযুদ্ধের গল্প, সন্তানদের চোখে পিতা

“মুক্তিযোদ্ধারা’ই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাদের ঋণ শোধ হবার নয়”

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:১৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫০৪৪ বার পড়া হয়েছে

মুক্তিযোদ্ধারাই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাদের আত্মত্যাগ ও সাহসিকতার কারণেই বাঙালি জাতি পরাধীনতা থেকে মুক্তি পেয়েছিল। পেয়েছিল লাল সবুজের একটি পতাকা ও স্বাধীন সার্বভৌম একটি দেশ। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য সেই স্বাধীন বাংলাদেশেই আজ মুক্তিযোদ্ধারা লাঞ্চিত হচ্ছেন অপমানিত হচ্ছেন।

ফ্রান্সে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিজয় উৎসব অনুষ্ঠানে বক্তারা উপরোক্ত এই মন্তব্য করেন।

গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর)বিকেলে রাজধানী প্যারিসের স্থানীয় একটি কমিউনিটি হলে বিজয় দিবস উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে এই বিজয় উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
সাংবাদিক দেবেশ বড়ুয়ার  উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়।

কয়েকটি পর্বে বিভক্ত এই অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান,,জাগরণের গান, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করা হয়।

সম্মাননা প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জামিরুল ইসলাম মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা নৌ কমান্ডো এনামুল হক ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান ।এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন ডাক্তার উত্তম বড়ুয়া।

অনুষ্ঠানের একটি পর্বে “মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের চোখে কেমন ছিলেন তাদের পিতা” আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণ করেন ফ্রান্সে বসবাসরত তাদের সন্তানরা ড. ছন্দা বড়ুয়া, শাহ গ্রপের অন্যতম কর্ণধার ফাতেমা খাতুন ও শুভা তালুকদার ।

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধা পিতা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে এ সময় অনেকেই আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী থেকে পাঠ করেন তামান্না শারমিন আনোয়ার।

বিজয় উৎসবের এই অনুষ্ঠানে বিশেষ সহযোগিতায় ছিলেন শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান সাত্তার আলী সুমন শাহ আলম।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন , আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাস করি তারা এখন এক ক্রান্তিলগ্ন অতিবাহিত করছি। এটা বলতে এখন আর দ্বিধা নেই যে , সেদিন অস্ত্র হাতে  তুলে নিয়ে যে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন জাতির শ্রেষ্ঠসন্তান মুক্তিযোদ্ধারা তারাই আজ বাংলাদেশে অপমানিত ও  লাঞ্ছিত হচ্ছেন। এটা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য খুবই দুর্ভাগ্যজনক। তবে আমি বিশ্বাস করি এই কালো দিনের অবসান হবে একদিন।
অনুষ্ঠানে দেশের গানের সাথে নৃত্য পরিবেশনায় ছিলেন দেবশ্রী চ্যাটার্জী, সুবর্ণা তালুকদার ও উমে। , জাগরণের গান পরিবেশন করেন সাগর বড়ুয়া,মৌসুমী চক্রবর্তী, লুবনা ইয়াসমিন চৌধুরী,অলকা বড়ুয়া,
আবু বকর আল আমিন ও শুভা তালুকদার,তবলায় ছিলেন অনুভব চ‍্যাটার্জি।

আবৃত্তিতে অংশ নেন আবু বকর আল- আমিন, সমৃদ্ধ বড়ুয়া বর্ণ, শুভমিতা আনা ও আয়ুস চ‍্যাটার্জি।
এ সময় অনুষ্ঠানে অন‍্যান‍্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কর্মী জিলানী আহমেদ, ফ্রান্স বিজনেস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত ভট্টাচার্য শুভ, এডভোকেট শাহনুর ইসলাম, অধ‍্যাপক অপু আলম, সংস্কৃতি কর্মী রাহুল চৌধুরীসহ অনেকে।

প্রিয় মাতৃভূমিতে আমরা যেন হানাহানিতে লিপ্ত না হই-আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী

প্যারিসে মুক্তিযুদ্ধের গল্প, সন্তানদের চোখে পিতা

“মুক্তিযোদ্ধারা’ই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাদের ঋণ শোধ হবার নয়”

আপডেট সময় ০৮:১৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

মুক্তিযোদ্ধারাই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাদের আত্মত্যাগ ও সাহসিকতার কারণেই বাঙালি জাতি পরাধীনতা থেকে মুক্তি পেয়েছিল। পেয়েছিল লাল সবুজের একটি পতাকা ও স্বাধীন সার্বভৌম একটি দেশ। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য সেই স্বাধীন বাংলাদেশেই আজ মুক্তিযোদ্ধারা লাঞ্চিত হচ্ছেন অপমানিত হচ্ছেন।

ফ্রান্সে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিজয় উৎসব অনুষ্ঠানে বক্তারা উপরোক্ত এই মন্তব্য করেন।

গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর)বিকেলে রাজধানী প্যারিসের স্থানীয় একটি কমিউনিটি হলে বিজয় দিবস উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে এই বিজয় উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
সাংবাদিক দেবেশ বড়ুয়ার  উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়।

কয়েকটি পর্বে বিভক্ত এই অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান,,জাগরণের গান, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করা হয়।

সম্মাননা প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জামিরুল ইসলাম মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা নৌ কমান্ডো এনামুল হক ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান ।এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন ডাক্তার উত্তম বড়ুয়া।

অনুষ্ঠানের একটি পর্বে “মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের চোখে কেমন ছিলেন তাদের পিতা” আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণ করেন ফ্রান্সে বসবাসরত তাদের সন্তানরা ড. ছন্দা বড়ুয়া, শাহ গ্রপের অন্যতম কর্ণধার ফাতেমা খাতুন ও শুভা তালুকদার ।

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধা পিতা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে এ সময় অনেকেই আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী থেকে পাঠ করেন তামান্না শারমিন আনোয়ার।

বিজয় উৎসবের এই অনুষ্ঠানে বিশেষ সহযোগিতায় ছিলেন শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান সাত্তার আলী সুমন শাহ আলম।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন , আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাস করি তারা এখন এক ক্রান্তিলগ্ন অতিবাহিত করছি। এটা বলতে এখন আর দ্বিধা নেই যে , সেদিন অস্ত্র হাতে  তুলে নিয়ে যে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন জাতির শ্রেষ্ঠসন্তান মুক্তিযোদ্ধারা তারাই আজ বাংলাদেশে অপমানিত ও  লাঞ্ছিত হচ্ছেন। এটা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য খুবই দুর্ভাগ্যজনক। তবে আমি বিশ্বাস করি এই কালো দিনের অবসান হবে একদিন।
অনুষ্ঠানে দেশের গানের সাথে নৃত্য পরিবেশনায় ছিলেন দেবশ্রী চ্যাটার্জী, সুবর্ণা তালুকদার ও উমে। , জাগরণের গান পরিবেশন করেন সাগর বড়ুয়া,মৌসুমী চক্রবর্তী, লুবনা ইয়াসমিন চৌধুরী,অলকা বড়ুয়া,
আবু বকর আল আমিন ও শুভা তালুকদার,তবলায় ছিলেন অনুভব চ‍্যাটার্জি।

আবৃত্তিতে অংশ নেন আবু বকর আল- আমিন, সমৃদ্ধ বড়ুয়া বর্ণ, শুভমিতা আনা ও আয়ুস চ‍্যাটার্জি।
এ সময় অনুষ্ঠানে অন‍্যান‍্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কর্মী জিলানী আহমেদ, ফ্রান্স বিজনেস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত ভট্টাচার্য শুভ, এডভোকেট শাহনুর ইসলাম, অধ‍্যাপক অপু আলম, সংস্কৃতি কর্মী রাহুল চৌধুরীসহ অনেকে।